শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

মোবাইল গেমস খেলতে বাধা দেওয়ায় নামাজরত বাবাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৩ মার্চ ২০২৫, ১৪:১৬

চুয়াডাঙ্গায় নামাজরত অবস্থায় দোদুল হোসেন রিন্টু (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে তারই ছেলে রিফাত হোসেন (১৭)। শনিবার (২২ মার্চ) রাতে চুয়াডাঙ্গার পৌর এলাকার পলাশপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ।

নিহত দোদুল হোসেন (৫৩) চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার পলাশপাড়ার মৃত কাজী আফাজ উদ্দিনের ছেলে ও ইতালি প্রবাসী ছিলেন।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, রিফাত মোবাইলে গেমে আসক্ত। মাগরিবের আগে দোদুল হোসেন রিফাতের মোবাইল কেড়ে নেন। এতে ক্ষিপ্ত হয় ছেলে রিফাত। এরপরই দোদুল হোসেন নামাজে দাঁড়ালে পেছন থেকে শরীরের বিভিন্নস্থানে ছুরিকাঘাত করে রিফাত।

পরিবারের সদস্যরা দ্রুত দোদুল হোসেনকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ খালেদুর রহমান জানান, দোদুল হোসেন তার ছেলেকে মোবাইল ফোনে গেম খেলতে নিষেধ করেন এবং ছেলের হাত থেকে মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেয়।

এতে তার ছেলে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে নামাজে দাঁড়ানো অবস্থায় পিছন দিক থেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। রক্তাক্ত জখম অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তারেক জুনায়েত তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও জানান, অভিযুক্ত ছেলে রিফাতকে পুলিশ আটক করেছে। এখনও পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। লাশ সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা আছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর