শুক্রবার, ৪ঠা এপ্রিল ২০২৫, ২০শে চৈত্র ১৪৩১ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দুই থাই মন্ত্রীর সাক্ষাৎ
  • গ্রাম থেকে বিশ্বপরিবর্তনের বার্তা দিলেন ড. ইউনূস
  • বিমসটেক সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা
  • বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগের প্রমাণ মিলেছে
  • বিমসটেক সম্মেলনে বিকেলে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন প্রধান উপদেষ্টা
  • ‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
  • থাইল্যান্ডে পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
  • বিমসটেক সমুদ্র পরিবহন সহযোগিতা চুক্তি সই
  • বিমসটেক সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পযার্য়ের বৈঠক চলছে
  • এপ্রিলজুড়ে মৃদু মাঝারি ও তীব্র তাপপ্রবাহের আশঙ্কা

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের অবনতি, মোদিকে কড়া আক্রমণ কংগ্রেসের

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২ এপ্রিল ২০২৫, ১৮:০৩

বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার সম্পর্কের অবনতির জন্য নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের কূটনৈতিক ব্যর্থতাকে দায়ী করেছে ভারতের লোকসভার প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস।

মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস চীন সফরে গিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যকে ‘ল্যান্ডলকড” বা ভূ-বেষ্টিত বলে উল্লেখ করেন।

তার এই মন্তব্য ভারতের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে বিরোধী দল কংগ্রেস মোদি সরকারের পররাষ্ট্রনীতির কঠোর সমালোচনা করেছে এবং বিজেপির কূটনৈতিক ব্যর্থতার কারণে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কংগ্রেস নেতা ও মুখপাত্র পবন খেরা বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থানকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের এই পদক্ষেপ আমাদের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক। সরকার যখন মণিপুরের দিকে নজর দিচ্ছে, তখন চীন অরুণাচল প্রদেশে গ্রাম স্থাপন করছে। আমাদের পররাষ্ট্রনীতি এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে যে, যেই দেশটির সৃষ্টিতে আমরা প্রধান ভূমিকা রেখেছিলাম, সেই দেশই এখন আমাদের ঘিরে ফেলার কৌশল নিচ্ছে।’

এদিকে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে সাম্প্রতিক এই উত্তেজনার ফলে দুই দেশের কূটনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। ভারতের রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কূটনৈতিক স্তরে দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে এই অচলাবস্থা নিরসন করা না হলে আঞ্চলিক রাজনীতিতে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে।

কংগ্রেস এমপি গৌরব গগৈ মোদি সরকারের কূটনৈতিক অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্প্রতি বাংলাদেশের কাছে একটি চিঠি লিখেছিলেন, যেখানে তিনি দুই দেশের মধ্যে ‘দৃঢ় সম্পর্কের’ কথা উল্লেখ করেছেন। কিন্তু তারপরই ড. ইউনূসের মন্তব্য আমাদের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি ভারতের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার জন্য হুমকিস্বরূপ।”

এ বিষয়ে ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক হাইকমিশনার বীণা সিক্রি ড. ইউনূসের মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করে বলেন, ‘তার এই মন্তব্যের কোনো ভিত্তি নেই। উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলো ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ, এবং বঙ্গোপসাগরে এই অঞ্চলের প্রবেশাধিকারের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘদিনের সমঝোতা রয়েছে।’


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর