শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

বিশ্বে বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ৯ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১১:২৭

বিশ্বের বৃহৎ দুই জ্বালানি তেল উৎপাদনকারী দেশ সৌদি আরব ও রাশিয়া উৎপাদন কমানোর পর আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বাড়তে শুরু করছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম।

শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড বিক্রি হয়েছে ৯০ দশমিক ৬৫ ডলারে এবং প্রতি ব্যারেল ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুড বিক্রি হয়েছে ৮৭ দশমিক ৫১ ডলারে।


আগের দিন ৮ সেপ্টেম্বর তুলনায় ৯ সেপ্টেম্বর ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি বেড়েছে দশমিক ৭৩ ডলার বা দশমিক ৮ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআইয়ের দাম বেড়েছে দশমিক ৬৪ ডলার বা দশমিক ৭ শতাংশ। উভয় ব্র্যান্ডের তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় শনিবার অপরিশোধিত তেলের দাম ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই দাম গত ৯ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।

জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজার পর্যবেক্ষণকারী মার্কিন সংস্থা ওয়ান্ডার জানিয়াছে, এই সপ্তাহর মধ্যেই ব্রেন্ট ক্রুডের দাম (ব্যারেলপ্রতি) ৫ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম (ব্যারেলপ্রতি) ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে। সব মিলিয়ে সপ্তাহশেষে অপরিশোধিত জ্বালানির দাম শতকরা ২ শতাংশ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
২০২২ সালের শুরুতে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দামে যে ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছিল তা চীনের অভ্যন্তরীণ সংকট এবং উন্নয়নশীল দেশগুলো ডলার সংকটের কারণে তেল কেনা কমিয়ে দিলে গত বছর জুন মাস থেকে অপরিশোধিত তেলের দাম কমতে শুরু করে। দীর্ঘ সময় এই মন্দাভাব চলায় আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ে তেল রপ্তানিকারক দেশগুলো।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় গত ফেব্রুয়ারি থেকে ওপেক প্লাসের দুই শীর্ষ জ্বালানি তেল উৎপাদনকারীদেশ রাশিয়া এবং সৌদি উৎপাদন কমানোর পথে হাটে। রাশিয়া দৈনিক উত্তোলন ৫ লাখ লিটার উৎপাদন কমালেও গত এপ্রিল থেকে ১০ লাখ লিটার উৎপাদন হ্রাসের ঘোষণা দেয় সৌদি। চলতি সপ্তাহে উভয় দেশ তেলের দৈনিক উত্তোলন আরও ১৩ লাখ লিটার হ্রাস করবে বলে জানিয়েছে। সূত্র রয়টার্স, এপি।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর