শনিবার, ১৪ই মার্চ ২০২৬, ৩০শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন
  • রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে উত্তাপ, মুখোমুখি সরকার–বিরোধী দল
  • ১৫ আগস্ট শোক দিবস বাতিল, বহাল থাকলো আগের সিদ্ধান্ত
  • নির্বাচন নিয়ে নতুন বিতর্ক, নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা
  • সংসদের সামনে এনসিপির অবস্থান, রাষ্ট্রপতির অভিশংসন দাবি
  • বাংলাদেশের ওপরও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য তদন্ত
  • ইরান যুদ্ধে নতুন কৌশল, ‘প্ল্যান বি’তে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫

ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে হাজির ট্রাম্প, দুয়ো শুনলেন দর্শকদের

খেলা ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৪ জুলাই ২০২৫, ১৩:০১

ক্লাব বিশ্বকাপ ফাইনালে নাটকীয়তার কোনো কমতি ছিল না একটুও। একদিকে উল্লাসে মাতোয়ারা চেলসি, অন্যদিকে ট্রফি দিতে এসে চিৎকার ও দুয়োর মাঝে পড়লেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন চেলসিকে ট্রফি তুলে দিতে গিয়ে এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেলেন সাবেক এই প্রেসিডেন্ট।

যখন বিজয়ী দলের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়া হচ্ছিল, তখন মঞ্চের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন ট্রাম্প। লাল টাই পরে হাসিমুখে চেলসি অধিনায়ক রিস জেমসকে ট্রফি দেন তিনি। চেলসি খেলোয়াড়দের সঙ্গে হাততালি ও লাফিয়ে উল্লাসেও যোগ দেন ট্রাম্প।

কিন্তু এর আগেই শুরু হয়ে যায় সমালোচনার ঝড়। ট্রাম্প যখন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে মাঠে প্রবেশ করেন, তখন গ্যালারি থেকে শোনা যায় জোরাল দুয়ো। সেটা সামলানোর চেষ্টা করা অয় গানের ভলিউম বাড়িয়ে দিয়ে।

ম্যাচ শুরুর আগেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়। যখন স্টেডিয়ামের জায়ান্ট স্ক্রিনে ট্রাম্পকে জাতীয় সঙ্গীতের সময় স্যালুট দিতে দেখা যায়, তখনও গ্যালারি থেকে কিছুটা দুয়ো শোনা যায়, যদিও ক্যামেরা তাড়াতাড়ি অন্যদিকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

তবে এসব নেতিবাচকতা ট্রাম্পের উৎসাহে পানি ঢালতে পারেনি। বিজয়ী চেলসি খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়ার পাশাপাশি তিনি সেরা খেলোয়াড় হিসেবে কোল পালমারকে ‘গোল্ডেন বল’ পুরস্কার দেন এবং বিজিত ফাইনালিস্ট পিএসজির খেলোয়াড়দের সঙ্গে করমর্দন করেন।

এই ম্যাচে তার উপস্থিতি ছিল আরও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এটি ছিল সেই দিনটির এক বছর পূর্তি, যেদিন ট্রাম্প নির্বাচনী প্রচারণার সময় পেনসিলভানিয়ায় এক হত্যা প্রচেষ্টা থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন। তার এক বছর পূর্তির দিনে আবারও জনসম্মুখে এসেছিলেন ট্রাম্প।

ট্রাম্প চান ২০২৫ সালের ক্লাব বিশ্বকাপ এবং ২০২৬ সালের বিশ্বকাপকে ‘গোল্ডেন এজ অব আমেরিকা’র প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করতে। ২০২৬ সালের ফাইনালও হবে এই একই স্টেডিয়ামে, এবং এটি আবার যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তির সাথেও মিলে যাচ্ছে।

এমনকি ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে একটি বিশেষ ‘টাস্ক ফোর্স’ গঠন করেছেন যেন এই বড় আয়োজনগুলো যেন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।

এছাড়া ট্রাম্পের ব্যক্তিগতভাবেও ফুটবলের প্রতি টান রয়েছে বলে জানান ইনফান্তিনো। প্রেসিডেন্টের ছেলে ব্যারন একজন ফুটবলভক্ত, আর বাবাও সেই ভালোবাসা ভাগ করে নিচ্ছেন। ট্রাম্প নিজেও ছোটবেলায় নিউ ইয়র্ক মিলিটারি অ্যাকাডেমিতে এক মৌসুম ফুটবল খেলেছিলেন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর