শনিবার, ১৪ই মার্চ ২০২৬, ৩০শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন
  • রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে উত্তাপ, মুখোমুখি সরকার–বিরোধী দল
  • ১৫ আগস্ট শোক দিবস বাতিল, বহাল থাকলো আগের সিদ্ধান্ত
  • নির্বাচন নিয়ে নতুন বিতর্ক, নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা
  • সংসদের সামনে এনসিপির অবস্থান, রাষ্ট্রপতির অভিশংসন দাবি
  • বাংলাদেশের ওপরও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য তদন্ত
  • ইরান যুদ্ধে নতুন কৌশল, ‘প্ল্যান বি’তে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫

মালয়েশিয়ায় জাল পাসপোর্ট চক্রের গোপন কারখানা সনাক্ত, দুই বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২২ জুলাই ২০২৫, ১৪:২৯

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে জাল পাসপোর্ট তৈরির একটি গোপন কারখানায় অভিযান চালিয়ে দুই বাংলাদেশিকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। অভিযানে উদ্ধার হয়েছে শত শত জাল পাসপোর্ট ও ভুয়া নথিপত্র।

গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (২২ জুলাই) ভোরে কেপং এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্টে এই অভিযান চালায় ইমিগ্রেশন বিভাগের এনফোর্সমেন্ট টিম। অভিযানে দেখা যায়, আটককৃত কারখানাটিতে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান ও মিয়ানমারের জাল পাসপোর্ট তৈরি করা হতো।

এছাড়া মালয়েশিয়ায় কর্মরত বিদেশিদের জন্য প্রয়োজনীয় ফরেন ওয়ার্কার্স মেডিক্যাল এক্সামিনেশন মনিটরিং এজেন্সির (FOMEMA) ভুয়া সনদপত্রও উদ্ধার করেছে কর্তৃপক্ষ।

ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, এই সিন্ডিকেট প্রতিটি জাল পাসপোর্টের জন্য ৪০০ রিঙ্গিত করে চার্জ নিত। এমনকি অভিযানের সময় অভিযুক্তদের একজন মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যেই একটি ভুয়া পাসপোর্ট তৈরি করে দেখান।

আটককৃত দুই বাংলাদেশির একজন জানান, আমি দিনে ২০ থেকে ৩০টি পাসপোর্ট তৈরি করি। একটি পাসপোর্ট বানাতে সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট লাগে। এগুলো আমি নিজের ইচ্ছায় করি না, বস যা বলছে তাই করি। আমি জানি না কার জন্য বানানো হচ্ছে।’ তারা আরও দাবি করেন, মালয় ভাষা জানেন না এবং তারা শুধু কাজের বিনিময়ে প্রতি মাসে আড়াই হাজার রিঙ্গিত বেতন পেতেন।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পাসপোর্ট তৈরির অর্ডার আসত হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে, এবং অর্থ লেনদেনও একটি নির্দিষ্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্টে হতো। ওই অ্যাকাউন্টের মালিকও একজন বাংলাদেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, সিন্ডিকেটটির পেছনে কে বা কারা রয়েছে তা খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে। শিগগিরই জালিয়াত চক্রের মূলহোতাদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে আরও অভিযান চালানো হবে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু প্রবাসীদের সুনাম ক্ষুণ্ন করে না, বরং আন্তর্জাতিকভাবে দেশের ভাবমূর্তিও নষ্ট করে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর