শনিবার, ১৪ই মার্চ ২০২৬, ৩০শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন
  • রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে উত্তাপ, মুখোমুখি সরকার–বিরোধী দল
  • ১৫ আগস্ট শোক দিবস বাতিল, বহাল থাকলো আগের সিদ্ধান্ত
  • নির্বাচন নিয়ে নতুন বিতর্ক, নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা
  • সংসদের সামনে এনসিপির অবস্থান, রাষ্ট্রপতির অভিশংসন দাবি
  • বাংলাদেশের ওপরও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য তদন্ত
  • ইরান যুদ্ধে নতুন কৌশল, ‘প্ল্যান বি’তে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫

‘টাকা-পে’ নামে ভুয়া ওয়েবসাইট, সতর্ক করলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

ডেস্ক রির্পোট

প্রকাশিত:
৫ আগষ্ট ২০২৫, ১৩:০১

জাতীয় কার্ড স্কিম ‘টাকা-পে’-এর নামে একটি ভুয়া ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জনসাধারণের ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার (৪ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্স থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশীয়ভাবে কার্ডভিত্তিক লেনদেনের নিয়ন্ত্রণ, ব্যয় সাশ্রয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার ব্যবহার হ্রাসের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক টাকা-পে নামে একটি জাতীয় কার্ড স্কিম চালু করেছে। ইতোমধ্যে ১৫টি তফসিলি ব্যাংক এই সেবার আওতায় গ্রাহকদের টাকা-পে ডেবিট কার্ড দিচ্ছে।

তবে সম্প্রতি লক্ষ্য করা গেছে, www.takapaycard.com নামের একটি ভুয়া ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জনসাধারণের সংবেদনশীল ও গোপনীয় তথ্য সংগ্রহের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করেছে যে, টাকা-পে-এর জন্য তাদের কোনো ওয়েবসাইট বা অ্যাপ বর্তমানে প্রচলিত নেই।

প্রতারণামূলক এই সাইটে বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা-পে এবং এনপিএসপি এর লোগো/ট্রেডমার্ক অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার করা হয়েছে। যা ‘ট্রেডমার্ক আইন, ২০০৯’-এর পরিপন্থি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

এছাড়া ‘পরিশোধ ও নিষ্পত্তি ব্যবস্থা আইন, ২০২৪’-এর ধারা ৪(২), ১৫(২) এবং ৩৭(৩)-এর আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অর্থ লেনদেন, বিনিয়োগ গ্রহণ কিংবা ঋণ প্রদানের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে না। এই ধরনের কার্যক্রম আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

বাংলাদেশ ব্যাংক জনসাধারণকে অনুরোধ জানিয়েছে, ভুয়া ওয়েবসাইটে কোনো তথ্য না দিতে এবং কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনে জড়িত না হতে।

যে কেউ ওয়েবসাইটে প্রবেশ বা তথ্য দিলে আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি হয়রানির শিকার হতে পারেন বলে সতর্ক করেন বাংলাদেশ ব্যাংক।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর