শনিবার, ১৪ই মার্চ ২০২৬, ২৯শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন
  • রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে উত্তাপ, মুখোমুখি সরকার–বিরোধী দল
  • ১৫ আগস্ট শোক দিবস বাতিল, বহাল থাকলো আগের সিদ্ধান্ত
  • নির্বাচন নিয়ে নতুন বিতর্ক, নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা
  • সংসদের সামনে এনসিপির অবস্থান, রাষ্ট্রপতির অভিশংসন দাবি
  • বাংলাদেশের ওপরও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য তদন্ত
  • ইরান যুদ্ধে নতুন কৌশল, ‘প্ল্যান বি’তে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫

সোনারগাঁওয়ে জমি নিয়ে বিরোধে আওয়ামীলীগ বিএনপি, সংঘর্ষের আশঙ্কা

রাসেল হোসাইন, সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত:
১৩ আগষ্ট ২০২৫, ১৩:০১

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বারদী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মৃত এতু মিয়ার ছেলে নুর মোহাম্মদ (৬৫) ও তার ছেলে শরীফ হোসেন (২৪) বিএনপি নেতা আব্দুল লতিফ ও আবুল কাশেমের ক্রয়কৃত ১৫ শতাংশ যায়গা দখলের পায়তারা করছে। এ নিয়ে মছলন্দপুর গ্রামে যেকোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও হতাহতের আশংকা করছেন এলাকাবাসী। ক্রয়সূত্রে জমির মালিক আবুল কাশেম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

আবুল কাশেমের লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, চলতি বছরের এপ্রিল মাসের ৪ তারিখে মছলন্দপুর মৌজায় দৌলরদী গ্রামের মৃত খালেক মিয়ার ছেলে আলম গংদের থেকে সিএস, এসএ ১৩ দাগ এবং আরএস ১৫ দাগে তাদের পৈতৃক সম্পত্তির ৫৭ শতাংশ জমি থেকে ১৫ শতাংশ জমি ২৪ লক্ষ টাকার বিনিময়ে রেজিষ্ট্রিকৃত বায়নানামা দলিলে ক্রয় করে সাইনবোর্ড লাগানোর পর থেকেই জোরপূর্বক এ জমি দখলে নেয়ার পায়তারা করছে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি নুর মোহাম্মাদ ও তার ছেলে শরীফ হোসেন।

সরেজমিনে গেলে এলাকাবাসী জানায়, ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে নুর মোহাম্মদ ও তার ছেলে উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও বারদী ইউপির তৎকালিন চেয়ারম্যান মোঃ জহিরুল হক জহিরের ছত্রছায়ায় থেকে ১৬ বছর জোরপূর্বক এই জমি ভোগদখলে ছিল। সরকার পতনের পর পৈতৃক সূত্রে জমির মালিক মোঃ আলম গংরা বিএনপি নেতা আব্দুল লতিফ ও আবুল কাশেমের নিকট ১৫ শতাংশ বিক্রি করলে জমি দখলে রাখার জন্য নুর মোহাম্মদ ও তার ছেলে পূনরায় বেপরোয়া হয়ে উঠে। প্রয়োজনে ২/৪ টা লাশ ফেলে দেয়ার হুমকি প্রদান করছে বলেও জানান এলাকাবাসী।

এলাকাবাসী আরো জানান, জমি সংক্রান্ত বিষয়টি এখন গড়াচ্ছে রাজনীতির দিকে। জমির মূল মালিক নিরীহ হওয়ায়ার কারনে জোরপূর্বক এতোদিন জমিটি আওয়ামীলীগের দখলে ছিল। সরকার পতনের পর জমিটি ক্রয় করেছেন বিএনপি নেতারা। যে কোন সময় দু'গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে হতাহতের আশংকা করছেন তারা।

অভিযুক্ত নুর মোহাম্মদ বলেন, ক্রয়সূত্রে এ জমির মালিক আমি। আবুল কাশেমসহ ৩/৪ জন মিলে জমিটিতে জোরপূর্বক সাইনবোর্ড লাগিয়েছে, আমিও থানায় অভিযোগ করেছি। আদালতেও একটি মামলা চলমান। আদালত তাদের পক্ষে রায় দিলে আমার কোন আপত্তি থাকবেনা।

সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ রাসেদুল হাসান খান বলেন, জমি সংক্রান্ত বিষয়ে দু'পক্ষই লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। শুনেছি বিষয়টি নিয়ে আদালতেও মামলা চললাম। আদালত যা রায় দিবে তাই হবে, তবে দু'পক্ষের মধ্যে যাহাতে কোন সংঘর্ষ না হয় আমরা সেদিকে খেয়াল রাখছি।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর