শনিবার, ১৪ই মার্চ ২০২৬, ২৯শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন
  • রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে উত্তাপ, মুখোমুখি সরকার–বিরোধী দল
  • ১৫ আগস্ট শোক দিবস বাতিল, বহাল থাকলো আগের সিদ্ধান্ত
  • নির্বাচন নিয়ে নতুন বিতর্ক, নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা
  • সংসদের সামনে এনসিপির অবস্থান, রাষ্ট্রপতির অভিশংসন দাবি
  • বাংলাদেশের ওপরও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য তদন্ত
  • ইরান যুদ্ধে নতুন কৌশল, ‘প্ল্যান বি’তে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫

জনদূর্ভোগ চরমে ‎

মীরসরাইয়ে ‎জোরারগঞ্জ-মুহুরীপ্রজেক্ট সড়ক নয় যেন পুকুর

‎জিয়াউর রহমান জিতু, মীরসরাই (চট্টগ্রাম)

প্রকাশিত:
১৭ আগষ্ট ২০২৫, ১৮:৫৫

চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার ৭ কিলোমিটার জোরারগঞ্জ-মুহুরীপ্রজেক্ট এ যেন সড়ক নয় ছোট ছোট পুকুর। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়দের চরম দুর্ভোগে যাতায়াত করতে হয় এ সড়ক পথ দিয়ে। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ যাতায়াত করেন, স্কুলের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে দৈনন্দিন শ্রমজিবী মানুষ, স্কুল শিক্ষকসহ সকল শ্রেনীর মানুষের জন্য এই সড়ক এখন মরনফাঁদ।

দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় সড়কের কার্পেটিং উঠে গিয়ে বিভিন্ন অংশে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে এই গর্তগুলো কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে, তখন গর্ত বুঝে চলাচল করাও হয়ে ওঠে অসাধ্য। দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে প্রতিটি মোড়ে।

‎সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জোরারগঞ্জ-মুহুরীপ্রজেক্ট সড়কের মোট দৈর্ঘ্য ১২ কিলোমিটার। এর মধ্যে জোরারগঞ্জ বাজার থেকে ইছামতি মন্দির পর্যন্ত এক কিলোমিটার অংশ খানিকটা ভালো থাকলেও, বাকি ৭ কিলোমিটার একেবারেই চলাচলের অযোগ্য। সবচেয়ে বিপজ্জনক অবস্থা বিষুমিয়ারহাট থেকে আজমপুর বাজার পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটারে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে গিয়ে ছোট-বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। তখন দেখা যায় গাড়ি হঠাৎ ব্রেক করে, নিয়ন্ত্রণ হারায়। অনেক সময় গাড়ি বিকল হয়ে গর্তেই থেমে যায়। এছাড়াও সড়কের দুরবস্থার প্রভাব পড়েছে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের ওপরও। অনেকেই সময়মতো স্কুলে পৌঁছাতে পারছে না। সকালবেলা সিএনজি বা স্কুলবাসে উঠলেও সড়কের কাদা আর গর্তের কারণে নির্ধারিত সময়ে পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব।

স্থানীয় সিএনজি চালক মনির উদ্দিন বলেন, “সড়কের অধিকাংশ স্থানে গর্ত। প্রায়ই গাড়ি উল্টে যায়। রাস্তায় গাড়ি নিয়ে বের হলে মনে হয় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাত্রা করছি।”

নিয়মিত যাত্রী প্রধান শিক্ষক হৃদয় রঞ্জন দে বলেন, “সংস্কার হলেও নিম্নমানের কাজে এক মাসের মধ্যেই সব আবার আগের মতো হয়ে যায়। সময়, ভাড়া দুই-ই বেড়ে যাচ্ছে।”

‎ট্রাকচালক মোঃ এয়াছিন বলেন, “লোড গাড়ি গর্তে পড়ে আটকে যায়, সময় নষ্ট হয়, যন্ত্রপাতিও নষ্ট হয়। ঠিকঠাক রাস্তা থাকলে সময়মতো মালামাল পৌঁছানো যেত।

‎রোজিনা আক্তার নামে এক অভিভাবক বলেন, “আমার ছেলে স্কুলে পৌঁছাতে দেরি করে। প্রায়দিনই গাড়িতে সময়মতো যেতে পারে না। শিক্ষকও রাগ করেন, অথচ দোষ তো ছাত্রের না।”

চট্টগ্রাম সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোসলেহ উদ্দিন বলেন, “জোরারগঞ্জ-মুহুরী প্রজেক্ট সড়কের জন্য দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। শিগগিরই জোরারগঞ্জ-মুহুরী প্রজেক্টের ৭ কিলোমিটার অংশটি ১৮ ফুট থেকে ৩৪ ফুট প্রশস্ত করে কার্পেটিংয়ের কাজ হবে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর