শুক্রবার, ১৩ই মার্চ ২০২৬, ২৯শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন
  • রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে উত্তাপ, মুখোমুখি সরকার–বিরোধী দল
  • ১৫ আগস্ট শোক দিবস বাতিল, বহাল থাকলো আগের সিদ্ধান্ত
  • নির্বাচন নিয়ে নতুন বিতর্ক, নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা
  • সংসদের সামনে এনসিপির অবস্থান, রাষ্ট্রপতির অভিশংসন দাবি
  • বাংলাদেশের ওপরও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য তদন্ত
  • ইরান যুদ্ধে নতুন কৌশল, ‘প্ল্যান বি’তে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫

শার্শায় বিএনপির ১৫ কর্মীকে কুপিয়ে-পিটিয়ে জখম করেছে হাসান-তৃপ্তি গ্রুপের সমর্থকরা

মোশারফ করিম, যশোর

প্রকাশিত:
২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৫:১৫

যশোরের শার্শা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নুরুজ্জামান লিটন গ্রুপের ১৫ জন বিএনপির কর্মীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করেছে স্থানীয় বিএনপির হাসান জহির ও তৃপ্তি গ্রুপের সমর্থকরা। একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

রবিবার (৩১ আগস্ট) রাতে উপজেলার নাভারণ সাতক্ষীরা মোড়ে এই হামলা চালানো হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার আধিপত্য বিস্তার ও একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান জহির ও সাবেক এমপি মফিকুল হাসান তৃপ্তি গ্রুপের জনি ও জিয়ার নেতৃত্বে ২৫-৩০ জন সমর্থক রবিবার রাত ৯ টার দিকে নাভারণ সাতক্ষীরা মোড়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র, লাটিসোঁটা, লোহার পাইপ নিয়ে বিএনপি কর্মী আব্দুর রাজ্জাককে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে। এসময় রাজ্জাককে বাঁচাতে বিএনপি কর্মী রুহুল আমিনসহ অন্যান্যরা এগিয়ে আসলে তাদেরকেও পিটিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নাভারণে ভর্তি করে। জনির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ ও চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগ স্থানীয়দের।

আহতদের মধ্যে আব্দুর রাজ্জাক, রুহুল আমিন, টিটু, নাজমুলকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের মধ্যে আব্দুর রাজ্জাকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটন বলেন- কোনো কারণ ছাড়াই আমার সমর্থক রাজ্জাকসহ ১৫ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে হাসান ও তৃপ্তির লোকজন। এ ঘটনায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানাচ্ছি। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর