শুক্রবার, ১৩ই মার্চ ২০২৬, ২৯শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন
  • রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে উত্তাপ, মুখোমুখি সরকার–বিরোধী দল
  • ১৫ আগস্ট শোক দিবস বাতিল, বহাল থাকলো আগের সিদ্ধান্ত
  • নির্বাচন নিয়ে নতুন বিতর্ক, নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা
  • সংসদের সামনে এনসিপির অবস্থান, রাষ্ট্রপতির অভিশংসন দাবি
  • বাংলাদেশের ওপরও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য তদন্ত
  • ইরান যুদ্ধে নতুন কৌশল, ‘প্ল্যান বি’তে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫

এবার ভারত-চীনের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক বসাতে বললেন ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৩:৩৪

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কেনা বন্ধ করার জন্য ভারত ও চীনের ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক আরোপ করার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নকে (ইইউ) আহ্বান জানিয়েছেন।

বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমকে উদ্ধৃত করে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এই তথ্য জানায়। এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়ানো, যেহেতু তারা দেশটির অপরিশোধিত তেলের সবচেয়ে বড় দুই ক্রেতা।

ব্রিটিশ দৈনিক ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে যে, ট্রাম্প মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে মার্কিন এবং ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের একটি বৈঠকে ফোনে যোগ দিয়ে এই দাবি জানান। ওই বৈঠকে কর্মকর্তারা রাশিয়ার যুদ্ধের অর্থায়ন বন্ধ করার উপায় খুঁজছিলেন। এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, 'আমরা প্রস্তুত, এখনই প্রস্তুত। তবে এটা তখনই করব যদি আমাদের ইউরোপীয় অংশীদাররা এগিয়ে আসে।'

আরেক কর্মকর্তা জানান যে, ইইউ যদি বেইজিং এবং নয়াদিল্লির ওপর শুল্ক আরোপ করে, তাহলে ওয়াশিংটনও একই পদক্ষেপ নেবে, যার ফলে ভারত ও চীনের পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক কয়েক গুণ বেড়ে যাবে। বর্তমানে ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক রয়েছে, আর চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক দাঁড়িয়েছে ৩০ শতাংশে।

এক মার্কিন কর্মকর্তা ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেন, 'আজ সকালে প্রেসিডেন্ট স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন—সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো বড় অঙ্কের শুল্ক বসানো এবং তা বহাল রাখা, যতক্ষণ না চীন রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করে। ওই তেলের অন্য কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই।'

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধবিরতি নিয়ে সমঝোতার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার কারণে হোয়াইট হাউসে হতাশা বাড়ছে এবং এর মধ্যেই ট্রাম্পের এই প্রস্তাব এসেছে। দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তিনি দাবি করেছিলেন যে, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই যুদ্ধ থামাতে পারবেন। এর আগে গত রোববার ক্রেমলিনের ব্যাপক বিমান হামলার পর ট্রাম্প রাশিয়ার ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞার হুমকি দেন। পাশাপাশি রাশিয়ার তেল কেনা দেশগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তবে এখন পর্যন্ত শুধু রাশিয়ার তেল কেনার কারণে ভারতের ওপর শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

চীনের ক্ষেত্রে ওয়াশিংটন এখনো সুনির্দিষ্টভাবে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। চলতি বছরের এপ্রিলে ট্রাম্প চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়ালেও মে মাসে বাজারে বড় ধরনের ধাক্কা লাগায় আবার কিছুটা শিথিল করেন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর