শুক্রবার, ১৩ই মার্চ ২০২৬, ২৯শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন
  • রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে উত্তাপ, মুখোমুখি সরকার–বিরোধী দল
  • ১৫ আগস্ট শোক দিবস বাতিল, বহাল থাকলো আগের সিদ্ধান্ত
  • নির্বাচন নিয়ে নতুন বিতর্ক, নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা
  • সংসদের সামনে এনসিপির অবস্থান, রাষ্ট্রপতির অভিশংসন দাবি
  • বাংলাদেশের ওপরও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য তদন্ত
  • ইরান যুদ্ধে নতুন কৌশল, ‘প্ল্যান বি’তে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫

ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

সুন্দরগঞ্জে সেতু আছে, সড়ক নেই

মোঃ আল আমিন, গাইবান্ধা

প্রকাশিত:
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৩:০০

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের ঘগোয়া খালের ওপর নির্মিত সেতুটি ব্যবহারের ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো সংযোগ সড়ক হয়নি। ফলে সেতুটি নির্মাণের উদ্দেশ্য ব্যর্থ হয়ে পড়েছে। সেতুর দুই পাশে বাঁশের চাটাই দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয়রা।

২০২৩-২৪ অর্থবছরে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় প্রায় ৩৭ লাখ টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করা হয়। কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় শুধু পথচারীরাই বাঁশের অস্থায়ী সাঁকো দিয়ে পারাপার করতে পারছেন। যানবাহন চলাচল করতে না পারায় এলাকাবাসীর দুর্ভোগ চরমে উঠেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা জুয়েল মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সেতু নির্মাণ করে কী লাভ হলো, যদি সড়কই না থাকে? গাড়িঘোড়া নিয়ে চলাচল তো অসম্ভব হয়ে পড়েছে।”

তারাপুর ইউনিয়নের সদস্য মজনু মিয়া জানান, “সেতু নির্মাণের পর দুই পাশে মাটি ভরাট না করেই ঠিকাদার চলে যান। আমরা একাধিকবার অনুরোধ করেছি, কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। বাধ্য হয়ে বাঁশের সাঁকো তৈরি করতে হয়েছে।”

এ বিষয়ে ঠিকাদার নুর মওলা বলেন, “বর্তমানে সেতুর আশপাশে পানি থাকায় মাটি ভরাট সম্ভব হচ্ছে না। অল্প কিছু দিনের মধ্যেই ভরাটের কাজ শেষ করা হবে।”

তারাপুর ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, “সেতুর কাজ শেষ হয়েছে ছয় মাস আগে। কিন্তু সংযোগ সড়ক করার বিষয়ে ঠিকাদারের কোনো উদ্যোগ নেই। ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।”

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. মশিয়ার রহমান জানান, “ঠিকাদারকে এখনো বিল দেয়া হয়নি। সংযোগ সড়কের মাটি ভরাট সম্পন্ন করার পরই বিল প্রদান করা হবে।”

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজ কুমার বিশ্বাস বলেন, “আমি বিষয়টি জানতাম না। তবে জনস্বার্থে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

স্থানীয়রা দ্রুত সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর