শুক্রবার, ১৩ই মার্চ ২০২৬, ২৯শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন
  • রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে উত্তাপ, মুখোমুখি সরকার–বিরোধী দল
  • ১৫ আগস্ট শোক দিবস বাতিল, বহাল থাকলো আগের সিদ্ধান্ত
  • নির্বাচন নিয়ে নতুন বিতর্ক, নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা
  • সংসদের সামনে এনসিপির অবস্থান, রাষ্ট্রপতির অভিশংসন দাবি
  • বাংলাদেশের ওপরও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য তদন্ত
  • ইরান যুদ্ধে নতুন কৌশল, ‘প্ল্যান বি’তে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫

চট্টগ্রামে ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা, বিলের টাকা আত্মসাৎ

মো.মোক্তার হোসেন বাবু, চট্টগ্রাম

প্রকাশিত:
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৮:১৫

চট্টগ্রামে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) লিমিটেড হালিশহর শাখার বরখাস্তকৃত জুনিয়র ক্যাশ অফিসার তাজকেরাতুন নেছাকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

গ্রাহকদের কাছ থেকে আদায়কৃত বিলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে উক্ত মামলায় বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালত এ রায় দেন। তাজকেরাতুন নেছা (৪০) ভুজপুর থানার দাঁতমারা এলাকার আবদুল মজিদ খানের মেয়ে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। আসামির বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মুহম্মদ কবির হোসাইন বলেন, ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণে গ্রাহকদের কাছ থেকে আদায়কৃত বিলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রমাণিত হওয়ায় আসামি তাজকেরাতুন নেছাকে দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় ৩ বছর ও ৪২০ ধারায় ২ বছর কারাদণ্ড এবং ৩ লাখ ১২ হাজার ৬৬৪ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৮ মার্চ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে গ্যাস ও ওয়াসার বিল বাবদ ৬ লাখ ৬৩ হাজার ৯৫৩ টাকা সংগ্রহ করেন ইউসিবি ব্যাংকের হালিশহর শাখার বরখাস্তকৃত জুনিয়র ক্যাশ অফিসার তাজকেরাতুন নেছা। কিন্তু তিনি ওই অর্থ ব্যাংকে জমা না দিয়ে প্রতারণা ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে আত্মসাৎ করেন। পরে জরিমানাসহ মোট ৬ লাখ ৭০ হাজার ৪২৩ টাকার মধ্যে ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৭৫৯ টাকা ফেরত দিলেও বাকি ৩ লাখ ১২ হাজার ৬৬৪ টাকা পরিশোধ না করে আত্মসাৎ করেন।

এ ঘটনায় ২০২২ সালের ২৭ নভেম্বর দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলা করেন তৎকালীন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. এমরান হোসেন। মামলায় আসামির বিরুদ্ধে ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর