শুক্রবার, ১৩ই মার্চ ২০২৬, ২৮শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন
  • রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে উত্তাপ, মুখোমুখি সরকার–বিরোধী দল
  • ১৫ আগস্ট শোক দিবস বাতিল, বহাল থাকলো আগের সিদ্ধান্ত
  • নির্বাচন নিয়ে নতুন বিতর্ক, নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা
  • সংসদের সামনে এনসিপির অবস্থান, রাষ্ট্রপতির অভিশংসন দাবি
  • বাংলাদেশের ওপরও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য তদন্ত
  • ইরান যুদ্ধে নতুন কৌশল, ‘প্ল্যান বি’তে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫

ভাঙ্গায় আফসার হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

মোসলেউদ্দিন (ইমরান মুন্সী) ভাংগা (ফরিদপুর)

প্রকাশিত:
৫ অক্টোবর ২০২৫, ১৭:০৭

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার পৌর এলাকার নওপাড়া গ্রামে শেখ আফসার হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

রবিবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১০টায় নওপাড়া বাসস্ট্যান্ডে এলাকাবাসীর উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ভাঙ্গা পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট জহিরুল হক মিঠুন, নিহত শেখ আফসারের স্ত্রী সেতু বেগম ও তার মেয়ে সুমি আক্তার।

আফসারের স্ত্রী সেতু বেগম জানান, গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে নয়টার দিকে নজরুল কাজী আমার স্বামীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। রাস্তায় নিয়ে গিয়ে নজরুল, তার ভাই জহির কাজী, ইয়াম ফকির ও হাসেন ফকির সহ অনেকে মিলে তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। আমি বাধা দিতে গেলে আমাকে ধাক্কা দিয়ে পানির মধ্যে ফেলে দেয়। সেতু বেগম তার স্বামী হত্যার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

নিহতের মেয়ে সুমি আক্তার বলেন, “আমার বাবাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় আমার মা বাদী হয়ে আটজনের নামে ভাঙ্গা থানায় হত্যা মামলা করেছেন। বর্তমানে মামলার তিনজন আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে; বাকিরা এখনও পলাতক। আমরা মানববন্ধনের মাধ্যমে বাকী আসামিদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবি জানাচ্ছি।”

সাবেক কাউন্সিলর জহিরুল হক মিঠুন বলেন, নওপাড়া গ্রামের বিল্লাল কাজী ও হাচেন ফকিরসহ তাদের সহযোগীরা একজন সরল মানুষের জীবন কেড়ে নেয়ার মাধ্যমে ভাঙ্গা থানার মানুষের হৃদয়ে বড় আঘাত দিয়েছে। তিনি বলেন, “এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ রকম অপরাধ করার সাহস না পায়।”

ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আশরাফ হোসেন ঘটনাটি সম্পর্কে সাংবাদিকদের জানান, মামলায় এখনও পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।




মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর