বৃহঃস্পতিবার, ১২ই মার্চ ২০২৬, ২৮শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন
  • রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে উত্তাপ, মুখোমুখি সরকার–বিরোধী দল
  • ১৫ আগস্ট শোক দিবস বাতিল, বহাল থাকলো আগের সিদ্ধান্ত
  • নির্বাচন নিয়ে নতুন বিতর্ক, নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা
  • সংসদের সামনে এনসিপির অবস্থান, রাষ্ট্রপতির অভিশংসন দাবি
  • বাংলাদেশের ওপরও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য তদন্ত
  • ইরান যুদ্ধে নতুন কৌশল, ‘প্ল্যান বি’তে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫

কয়েক কোটি টাকার জাল নোট উদ্ধার

চট্টগ্রামে তৈরি হচ্ছে ডলার-ইউরো

মো.মোক্তার হোসেন বাবু, চট্টগ্রাম

প্রকাশিত:
১৫ অক্টোবর ২০২৫, ১৫:৫১

চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে ২০ কোটি টাকার দেশি-বিদেশি জাল টাকাসহ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। গ্রেপ্তার যুবকের দাবি, শুটিংয়ের জন্য তিনি আন্দরকিল্লার একটি ছাপাখানা থেকে এগুলো ছাপিয়েছেন। তবে র‍্যাব বলছে, বাংলাদেশের নিয়মানুযায়ী টাকা ছাপানোর অনুমতি কারোই নেই।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে বহদ্দারহাট এক কিলোমিটার এলাকার নুরনগর হাউজিং সোসাইটির একটি বিল্ডিংয়ের ফ্ল্যাট থেকে এসব জাল নোট জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ওই যুবকের নাম তানজিম (২০)।

জাল টাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তানজিম বলেন, ‘টাকাগুলো শুটিংয়ের কাজে ব্যবহারের জন্য ছাপানো হয়েছে। নগরের আন্দরকিল্লায় অবস্থিত অঙ্কুর প্রিন্টার্স নামে একটি ছাপাখানা থেকে এসব ছাপানো হয়। প্রতি বান্ডেল নোট ৩০ টাকায় ছেপে আমি ৬০০ টাকায় বিক্রি করি। এখানে ভালোই একটা মার্জিন (লাভ) আছে আমার। যেহেতু এসব নোট ছাপার অনুমতি নেই সেহেতু এগুলোকে জাল টাকা বলা যেতে পারে। র‍্যাব সূত্র জানিয়েছে, মূলত আজ সিলেটে র‍্যাবের একটি দল অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণে জাল টাকাসহ একজনকে গ্রেপ্তার করে। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী র‍্যাব-৭ এই অভিযান পরিচালনা করেছে।

র‍্যাব-৭ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান সিভয়েস২৪'কে বলেন, ‘বাংলাদেশের নিয়ম অনুযায়ী সরকার কাউকেই কোনো ধরনের টাকা ছাপানোর অনুমতি দেয়নি। আমরা এখানে সত্যিকার জাল টাকার দেশি-বিদেশি নোট পেয়েছি। অনলাইনের মাধ্যমে এই জাল টাকাগুলো বিক্রি করা হতো। লেনদেনও অনলাইনেই হতো।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইতিমধ্যে যেখান থেকে নোটগুলো ছাপানো হয়েছে সেখানকার দুজনকে হেফাজতে নিয়েছি। আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করে দেখছি আরও কারা এসবের সঙ্গে জড়িত। তদন্ত শেষে আরও বিস্তারিত জানাতে পারবো।’


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর