বৃহঃস্পতিবার, ১২ই মার্চ ২০২৬, ২৮শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন
  • রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে উত্তাপ, মুখোমুখি সরকার–বিরোধী দল
  • ১৫ আগস্ট শোক দিবস বাতিল, বহাল থাকলো আগের সিদ্ধান্ত
  • নির্বাচন নিয়ে নতুন বিতর্ক, নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা
  • সংসদের সামনে এনসিপির অবস্থান, রাষ্ট্রপতির অভিশংসন দাবি
  • বাংলাদেশের ওপরও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য তদন্ত
  • ইরান যুদ্ধে নতুন কৌশল, ‘প্ল্যান বি’তে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫

পলাশের আখ চাষীরা বাম্পার ফলনে আর্থিক সুখের স্বপ্ন দেখছেন

বোরহান মেহেদী, পলাশ (নরসিংদী)

প্রকাশিত:
১৬ অক্টোবর ২০২৫, ১৩:০৭

দেশের বৃহত্তম শিল্পাঞ্চলখ্যাত পলাশ উপজেলা হলেও এখানকার অধিকাংশ মানুষই কৃষিকাজ নির্ভরশীল। জীবিকা নির্বাহের প্রধান অবলম্বন কৃষি। এ উপজেলার উর্বর দোআঁশ ও বেলে দোআঁশ মাটিতে বিভিন্ন রকম ফসল আবাদ হয়ে থাকে। তবে অল্প পুঁজিতে লাভজনক হওয়ায় বাণিজ্যিকভাবে দিন দিন আখ চাষে আগ্রহ বাড়ছে এ অঞ্চলের কৃষকদের। এবার আখের বাম্পার ফলন হয়েছে পলাশে। ভালো দাম পাওয়ায় হাসি ফুটেছে চাষিদের মুখে।

জানা গেছে, বেলে ও দোআঁশ মাটি আখ চাষের জন্য বেশ উপযোগী। ৭ থেকে ৮ মাসের মধ্যে আখের ফলন পাওয়া যায়। আখ উঁচু ও নিচু জমিতেও চাষ করা যায়। আবহাওয়া ও মাটির গুণাগুণের কারণে আশানুরূপ ফলন ও বাজারে বেশ চাহিদা থাকায় দিন দিন আখ চাষের প্রতি কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, আখ কাটতে কৃষকেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। সারি সারি ভ্যান দাঁড়িয়ে আছে আখ নিয়ে যাওয়ার জন্য। এখান থে‌কে আখ স্থানীয় বাজারসহ বিভিন্ন জেলার পাইকাররা এসে নিয়ে যান।

উপজেলার চরসিন্দুরের ইউনিয়নের রহামান মিয়া বলেন, প্রায় পাঁচ বছর আগে প্রথমবারের মতো তার এলাকায় আখ চাষ শুরু করেন। তার দাবি- তার হাত ধরেই ওই এলাকায় প্রায় ১০ থেকে ২০ জন কৃষক আখ চাষ শুরু করেছেন।

তিনি আরো বলেন, গত ৫ বছর ধরে নিয়মিত আখ চাষ করছি। এ বছর ২২ শতাংশ জমিতে চাষ করেছি। ফলনও ভালো হয়েছে। এ বছর খরচ হয়েছে ২০ হাজার টাকা। বাজারে অন্তত ৫০-৬০ হাজার টাকা বিক্রি করতে পারবো। এবার দাম বেশি হওয়ায় আখ চাষ বাড়ছে।

একই এলাকার কৃষক সুশীল রায় বলেন, চলতি বছর ১৫ শতাংশ জমিতে আখ চাষ করেছি। ফলন ভালো হয়েছে। আখ চাষের উপযোগী বেলে দোআঁশ ও পলি দোআঁশ মাটি। প্রতি ৩০ শতাংশ জমিতে খরচ প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। আখ চাষে খরচ কম কিন্তু পরিশ্রম একটু বেশি।

আখ ব‍্যবসায়ী জয়নাল আবদিন ঢাকা পোস্টকে বলেন, গত ৫ থেকে ৬ বছরেরও বেশি সময় আখ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত আছি। প্রতি বছর এখান থেকে আখ কিনে পার্শ^বর্তী জেলাগুলোতে পাইকারি হিসেবে বিক্রি করে থাকি। প্রতি দিন ৩ থেকে ৫ হাজার পিস আখ কিনে থাকি। এখানকার আখ খুব মিষ্টি ও সুস্বাদু। এখানকার আখ বিক্রি করতে আমাদের কোনো সমস্যায় পড়তে হয় না।

পলাশ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বলেন, পলাশের মাটি আখ চাষের জন্য উপযোগী। এবার জেলায় ১২৫ হেক্টর জমিতে ৪১, ১৬ ও ৮ জাতের আখ চাষ হয়েছে। রোগবালাই থেকে চাষিরা যেন ফসল বাঁচাতে পারেন, সে জন্য যথাসময়ে সঠিক পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর