বৃহঃস্পতিবার, ১২ই মার্চ ২০২৬, ২৮শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন
  • রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে উত্তাপ, মুখোমুখি সরকার–বিরোধী দল
  • ১৫ আগস্ট শোক দিবস বাতিল, বহাল থাকলো আগের সিদ্ধান্ত
  • নির্বাচন নিয়ে নতুন বিতর্ক, নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা
  • সংসদের সামনে এনসিপির অবস্থান, রাষ্ট্রপতির অভিশংসন দাবি
  • বাংলাদেশের ওপরও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য তদন্ত
  • ইরান যুদ্ধে নতুন কৌশল, ‘প্ল্যান বি’তে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫

মনপুরায় নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে

মোহাম্মদ মেহেদী হাসান, মনপুরা (ভোলা)

প্রকাশিত:
২৮ অক্টোবর ২০২৫, ১৬:০২

নিউমোনিয়াজনিত রোগের জটিলতায় মৃত্যুহার কমলেও সম্প্রতি এ রোগে আক্রান্ত হয়ে রোগীর সংখ্য মনপুরায় বেড়ে গেছে। এর মধ্যে আবার শিশু রোগীর সংখ্যাই বেশি। চিকিৎসকদের দাবি, দ্রুত শনাক্ত করা গেলে এতে শতভাগ রোগী সুস্থ হওয়া সম্ভব।

মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হওয়া শরিফ এর বয়স সবে পেরিয়েছে দুই বছর। কোমল এ শিশুটির শরীর বয়ে বেড়াচ্ছে অবর্ণনীয় যন্ত্রণা। পাশের বেডে থাকা আরেকজন একমাস বয়সের মুশফিক ইসলামের প্রায় পুরোটাই কেটেছে হাসপাতালে। আবার ১ বছরের ফাবিহার গল্পটাও অনেকটা একরকম। এতো অল্প বয়সেই তাদের শরীরের ওপর বয়ে গেছে লম্বা চিকিৎসার ধকল।

বাড়ির আঙিনায় হেসেখেলে বেড়ানোর সময়টা শরিফ এর আটকা হাসপাতালের চার দেয়ালের মাঝে। এমন গল্প মনপুরার নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত প্রায় সব শিশুরই৷ দেশে শিশুমৃত্যুর যে কটি কারণ আছে, তার অন্যতম নিউমোনিয়া। এসংক্রান্ত জটিলতায় প্রতিবছর দেশে মারা যাচ্ছে হাজার হাজার শিশু।

বর্তমানে ৩৭৩ বর্গকিলোমিটারের এই মনপুরা দ্বীপে প্রতিদিনই যে হারে বাড়ছে নিউমোনিয়া রোগীর সংখ্যা, তাতে বাড়ছে পরিবারের মনে আতঙ্ক। শুধু শিশু নয়, এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন বয়স্করাও। চিকিৎসা নিয়ে সুস্থও হচ্ছেন অধিকাংশ রোগী। তবে, তাতে কি হচ্ছে রোগটি একেবারে নির্মূল করা?

নিউমোনিয়ায় আগের চেয়ে মৃত্যুহার কমলেও এখনও সম্ভব হয়নি এ রোগ প্রতিরোধে টেকসই ব্যবস্থা ৷

এজন্য প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসার প্রতি জোর দেন মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ কবির সোহেল। তিনি বলেন, বর্তমানে শিশুরা নিউমোনিয়া এবং ডায়রিয়া রোগে আক্রান্ত বেশি। মনপুরা হাসপাতালে প্রতিনিয়ত নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে শিশু ভর্তি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ জন এবং আউট ডোরে ৩০ থেকে ৪০ জন ডক্টর দেখিয়ে বাসায় ফিরছে। নিউমোনিয়া হয় জীবানুর কারনে। আমাদের দেশের বাচ্চাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম এবং পরিবেশের কারনে নিউমোনিয়া রোগের আক্রমণ টা একটু বেশি। আমাদের এখানে নিউমোনিয়া রোগের পর্যাপ্ত চিকিৎসা আছে। অধিকাংশ রুগী এখান থেকে সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরেছে। আবার অনেকের হাটের সমস্যা থাকে তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত অন্য যায়গায় পাঠানো হয়। তিনি আরও জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে যারা চিকিৎসকের কাছে আসে, তাদের বেশিরভাগই সুস্থ হয়। শরীরে কোন প্রকার জটিলতার সৃষ্টি হয় না।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর