মঙ্গলবার, ৩০শে জুন ২০২৬, ১৬ই আষাঢ় ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

বাংলাদেশি ‘ইকবাল’ মানবপাচার চক্র ভেঙে দিয়েছে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭:০৩

ইমিগ্রেশন বিভাগ গতকাল একটি সেফ হাউসে অভিযান চালিয়ে ‘ইকবাল’ নামে পরিচিত একটি অভিবাসী পাচার চক্র (সিন্ডিকেট) কার্যত ভেঙে দিয়েছে।

ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান-এর বিবৃতির উদ্ধৃতি দিয়ে বারনামা জানিয়েছে, অভিযানে ১২ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ ও একজন নারী রয়েছেন, এদের বয়স ১৮ থেকে ৫৪ বছরের মধ্যে। পাশাপাশি, ওই বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মিয়ানমারের একজন ২৭ বছর বয়সী রোহিঙ্গা নাগরিককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক বলেছেন, “কর্তৃপক্ষের নজর এড়াতে প্রত্যন্ত একটি গ্রামে এই বাড়িটি বেছে নেওয়া হয়েছিল। এটি সদ্য পাচারের মাধ্যমে দেশে প্রবেশ করা অভিবাসীদের অস্থায়ী আবাসস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল।”

তিনি আরও জানিয়েছেন, পুত্রজায়াস্থ ইমিগ্রেশন সদর দপ্তরের প্রিভেনশন ডিভিশনের একটি বিশেষ দল, কেলান্তান ইমিগ্রেশন বিভাগের এনফোর্সমেন্ট ডিভিশনের সঙ্গে সমন্বয় করে এই অভিযানটি পরিচালনা করে।

বারনামা জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আটক অভিবাসীরা গত তিন দিনের মধ্যে মালয়েশিয়া–থাইল্যান্ড সীমান্তের অননুমোদিত স্থলপথ ব্যবহার করে অবৈধভাবে দেশে প্রবেশ করে। চূড়ান্ত গন্তব্যে পাঠানোর আগে তাদের কাছ থেকে বকেয়া প্রবেশ ফি আদায়ের অপেক্ষায় ওই বাড়িতে রাখা হয়েছিল।

মহাপরিচালক জাকারিয়া বলেছেন, “আমরা ওই বাড়ির স্থানীয় মালিককে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি সম্পত্তিটি অভিবাসী পাচারের কাজে ব্যবহারের জন্য ভাড়া দিয়ে চক্রটির সঙ্গে যোগসাজশ করেছেন।” তিনি জানান, মামলাটি মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালানবিরোধী আইন ২০০৭-এর আওতায় তদন্তাধীন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রাপ্ত তথ্যে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে চক্রটি ২০২৪ সালের শুরু থেকে সক্রিয় ছিল এবং অভিবাসীদের নিজ নিজ দেশ থেকে সমন্বয়কারী এজেন্টদের একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করছিল।

বারনামা আরও জানিয়েছে, জাকারিয়া শাবান বলেছেন, “চক্রটির মূল হোতা হিসেবে ‘ইকবাল’ নামে পরিচিত একজন বাংলাদেশি নাগরিককে সন্দেহ করা হচ্ছে, যিনি বর্তমানে থাইল্যান্ড থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। প্রতিটি অভিবাসীর কাছ থেকে ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার রিংগিত পর্যন্ত আদায় করা হতো এবং এ পর্যন্ত তারা মোট আয় করেছে আনুমানিক ১৫ লাখ রিংগিত বলে ধারণা করা হচ্ছে।”

এছাড়া, ন্যাশনাল গাইডলাইন অন হিউম্যান ট্রাফিকিং ইন্ডিকেটরস (এনজিএইচটিআই) ২.০ অনুসারে ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীর মধ্যে ভুক্তভোগী শনাক্তকরণ পদ্ধতিও এই অভিযানে অনুসরণ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর