বৃহঃস্পতিবার, ১২ই মার্চ ২০২৬, ২৮শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন
  • রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে উত্তাপ, মুখোমুখি সরকার–বিরোধী দল
  • ১৫ আগস্ট শোক দিবস বাতিল, বহাল থাকলো আগের সিদ্ধান্ত
  • নির্বাচন নিয়ে নতুন বিতর্ক, নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা
  • সংসদের সামনে এনসিপির অবস্থান, রাষ্ট্রপতির অভিশংসন দাবি
  • বাংলাদেশের ওপরও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য তদন্ত
  • ইরান যুদ্ধে নতুন কৌশল, ‘প্ল্যান বি’তে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫

সমাজকল্যাণমন্ত্রীর আয় বেড়ে ৫ গুণ

লালমনিরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশিত:
১১ ডিসেম্বর ২০২৩, ১৩:৪৩

সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদের ১০ বছরে আয় বেড়ে ৫ গুণ হয়েছে, আর সম্পদ বেড়ে হয়েছে প্রায় ৯ গুণ।

নির্বাচন কমিশনে ১০ বছর আগে দশম জাতীয় নির্বাচনের সময় এবং এবার দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নুরুজ্জামান আহমেদের জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট-১ (আদিতমারী-কালীগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নুরুজ্জামান আহমেদ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ওই নির্বাচনের আগে ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে জমা দেওয়া তাঁর হলফনামায় দেখা যায়, নুরুজ্জামানের অস্থাবর সম্পদ বলতে ছিল সাড়ে ৮৬ হাজার টাকা মূল্যের কিছু ইলেকট্রনিকসামগ্রী ও আসবাব। ২০১৮ সালে একাদশ সংসদ নির্বাচনেও তিনি সংসদ সদস্য হন।


টানা দুই মেয়াদে সংসদ সদস্য থাকার পর এবারও একই আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন নুরুজ্জামান। এবার জমা দেওয়া হলফনামায় দেখা যায়, এক দশকের ব্যবধানে তাঁর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৮৬ হাজার ৫০০ থেকে বেড়ে হয়েছে ৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকার বেশি। অর্থাৎ তাঁর অস্থাবর সম্পদ বেড়ে হয়েছে ৪২২ গুণ। তবে ঘরে আসবাব ও ইলেকট্রনিকসামগ্রী ১০ বছর আগে যা ছিল, এখনো তা–ই আছে।

অস্থাবর বাড়লেও সমাজকল্যাণমন্ত্রীর স্থাবর সম্পদের পরিমাণ কিছুটা কমেছে। ২০১৩ সালে তাঁর স্থাবর সম্পদের মধ্যে ছিল ২৫ বিঘা কৃষিজমি, ২০ শতক অকৃষিজমি, ৩৭ লাখ টাকা মূল্যের দালান ও ৩৫ বিঘা জমির মাছের খামার। তাঁর ২০২৩ সালের হলফনামা বলছে, তাঁর কৃষি ও অকৃষিজমি এবং মাছের খামার আগের মতোই আছে। তবে ৩৭ লাখ টাকা মূল্যের সেই দালান নেই, কিন্তু ঢাকায় ৩০ লাখ টাকা মূল্যের একটি প্লট রয়েছে।


হলফনামা বলছে, নুরুজ্জামানের বর্তমানে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মোট অর্জনকালীন মূল্য প্রায় ৪ কোটি ৪ লাখ টাকা। যা এক দশক আগে ছিল ৪৬ লাখ টাকার। অর্থাৎ, ১০ বছরের ব্যবধানে তাঁর মোট সম্পদ বেড়ে হয়েছে প্রায় ৯ গুণ।

এ সময় সমাজকল্যাণমন্ত্রীর বার্ষিক আয় বেড়েছে ৫ গুণ। ২০১৩ সালে তাঁর বার্ষিক আয় ছিল ৬ লাখ টাকা। কৃষি, ঘরভাড়া, ব্যবসা, সম্মানী ও মৎস্য খাত থেকে তাঁর এসব আয় হতো। ২০২৩ সালের হলফনামা বলছে, এখন তাঁর আয়ের খাত কৃষি, ভাড়া, ব্যবসা, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক আমানত ও মন্ত্রী হিসেবে সম্মানী। এসব খাত থেকে তাঁর বার্ষিক আয় ৩২ লাখ টাকার বেশি। অর্থাৎ, তাঁর বার্ষিক আয় বেড়ে পাঁচ গুণের বেশি হয়েছে।

হলফনামায় দেখা যায়, প্রথমবার সংসদ সদস্য হওয়ার আগে, ২০১৩ সালে নুরুজ্জামান আহমেদের স্ত্রীর কোনো আয় ছিল না। তাঁর ওপর নির্ভরশীল অন্যদেরও আয় ছিল না। এখনো নেই। তবে ২০১৩ সালে তাঁর স্ত্রীর ৩২ হাজার টাকার মূল্যের অলংকার ছিল, যা এখন আর নেই।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর