বৃহঃস্পতিবার, ১২ই মার্চ ২০২৬, ২৮শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন
  • রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে উত্তাপ, মুখোমুখি সরকার–বিরোধী দল
  • ১৫ আগস্ট শোক দিবস বাতিল, বহাল থাকলো আগের সিদ্ধান্ত
  • নির্বাচন নিয়ে নতুন বিতর্ক, নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা
  • সংসদের সামনে এনসিপির অবস্থান, রাষ্ট্রপতির অভিশংসন দাবি
  • বাংলাদেশের ওপরও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য তদন্ত
  • ইরান যুদ্ধে নতুন কৌশল, ‘প্ল্যান বি’তে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫

প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনে আ. লীগের কেউ সংঘাত করলে রেহাই নেই

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত:
২১ ডিসেম্বর ২০২৩, ১৭:৪৮

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, গণতন্ত্রকে আরও সুদৃঢ় করতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ শেষ হয়ে যাবে।

নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কেউ সংঘাত করলে রেহাই দেওয়া হবে না।
বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় থেকে পাঁচ জেলায় নির্বাচনী জনসভায় ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী জেলাগুলো হলো পঞ্চগড়, লালমনিরহাট, নাটোর, পাবনা ও খাগড়াছড়ি।

জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এবারের নির্বাচনে আপনাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ করে কেউ মানুষের ক্ষতি যেন করতে না পারে। সে জন্য সবাইকেই আমি সজাগ থাকার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে জনগণ ভোট দেবে। ভোটের মালিক জনগণ, এটা তাদের সাংবিধানিক অধিকার। হ্যাঁ, আমরা এটা উন্মুক্ত করেছি, আমাদের নৌকার প্রার্থীও আছে, স্বতন্ত্রও আছে এবং অন্যান্য দলও আছে।

তিনি আরও বলেন, প্রত্যেকে জনগণের কাছে যাবেন, জনগণ যাকে ভোট দেবে, তিনি নির্বাচিত হবেন। কেউ কারো অধিকারে হস্তক্ষেপ করবেন না। এখানে কিন্তু সংঘাত-মারামারি কোনো কিছু আমি দেখতে চাই না। সংঘাত হলে আমার দলের যদি কেউ করে, তার কিন্তু রেহাই নেই। তার বিরুদ্ধে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নেব। তা মনে রাখবেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা চাই জনগণ তার ভোটের অধিকার নির্বিঘ্নে প্রয়োগ করবে। যাকে খুশি, তাকে পছন্দ, তাকে ভোট দেবে, তিনি জয়ী হয়ে আসবেন। গণতন্ত্রকে আরও সুদৃঢ় করতে হবে। এর ব্যত্যয় যদি ঘটে, ভবিষ্যতে কী হবে, বাংলাদেশ শেষ হয়ে যাবে। আজ যতটুকু করেছি, তাও থাকবে না।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের নানা উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, উন্নয়নের ধারাটা যদি অব্যাহত রাখতে হয়, তাহলে আওয়ামী লীগকেই সরকার গঠন করে জনগণের কল্যাণ সাধন করতে হবে। সেটা আপনাদের মাথায় রাখতে হবে। কেউ যেন কোনো অভিযোগ না আনতে পারে নির্বাচন নিয়ে।

তিনি আরও বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন করবেন, কারণ নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণ থাকতে হবে, ভোটারের অংশগ্রহণ থাকতে হবে। কোন দল এলো, না এলো তাতে কিছুই আসে যায় না। আর বিএনপি তো আসবেই না, ভোট চুরির সুযোগ পায় না দেখে আসে না। বিএনপি আসেই তো একটা কারণে, যদি ভোট চুরির সুযোগ পায়।

সরকারপ্রধান বলেন, ২০০৮ সালে তারা পারেনি। তাই এখন সব সময় নির্বাচন বাতিল করতে চায়, বর্জন করতে চায়। সেটা তাদের ইচ্ছা, যার যার দলের ইচ্ছা। আমরা নির্বাচনে বিশ্বাস করি, জনগণের ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করি।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, আমি বলতে চাই, সুষ্ঠুভাবে আপনারা নির্বাচন করবেন, নিজের দলের মধ্যে ঐক্য রাখবেন। যত প্রার্থী আছেন, তারা গণসংযোগ করুক স্বাধীন মতো। জনগণকে সুযোগ দিন, পছন্দমতো প্রার্থীকে পছন্দ করে নেবে এবং ভোট দেবে। তাতে আমাদের গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হবে। যারা নির্বাচনে এসেছে সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।

এ সময় তিনি সবার কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চান।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর