মঙ্গলবার, ৩০শে জুন ২০২৬, ১৫ই আষাঢ় ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

১০০ দিনের মশক নিধন অভিযান শুরু চসিকের

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশিত:
২২ জুন ২০২৩, ১২:৩৭

ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া প্রতিরোধে ১০০ দিনের ‘মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম’ শুরু করেছে চসিক।

 

বুধবার (২২ জুন) সকালে চট্টগ্রাম নার্সিং কলেজের সামনে মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী এ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন।

 

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহসান, চমেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. সাহেনা আক্তার, চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

 

মেয়র বলেন, চসিক উদ্যোগ নিয়েছে ওষুধ ছিটানোর।

 

আমাদের দেড় হাজার কর্মী কাজ করছে। এবার একটা ড্রোন দিয়ে ছাদবাগানে নজরদারি করবো। জরিমানা ও শাস্তির ব্যবস্থা রেখেছি। জনসচেতনতা ছাড়া ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব নয়। পরিষ্কার পানিতে এডিস মশা ডিম পাড়ে। পাঁচ মাসের পর্যাপ্ত ওষুধ মজুদ আছে। বিমানবাহিনী থেকে যে ওষুধ কিনেছি তার রিপোর্ট পেয়েছি। আমাদের কর্মীরা ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে যাবে। সবাই সহযোগিতা করবেন।

এক প্রশ্নের উত্তরে মেয়র বলেন, ডেঙ্গু চোখ রাঙাচ্ছে। ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেওয়ায় ক্রাশ প্রোগ্রাম নিয়েছি। এক কাপ পরিষ্কার পানিতে এডিস মশা ডিম পাড়তে পারে। তাই টনে টনে ওষুধ ছিটালেও গণসচেতনতার বিকল্প নেই। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণালব্ধ সাজেশন অনুযায়ী বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর মশার ওষুধ কিনেছি। আগের ওষুধের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। তাই সন্দেহের কারণ নেই। আমি মশক নিধন কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছি। সারা বছর মশক নিধন কার্যক্রম চলবে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর