শুক্রবার, ১৩ই মার্চ ২০২৬, ২৯শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন
  • রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে উত্তাপ, মুখোমুখি সরকার–বিরোধী দল
  • ১৫ আগস্ট শোক দিবস বাতিল, বহাল থাকলো আগের সিদ্ধান্ত
  • নির্বাচন নিয়ে নতুন বিতর্ক, নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা
  • সংসদের সামনে এনসিপির অবস্থান, রাষ্ট্রপতির অভিশংসন দাবি
  • বাংলাদেশের ওপরও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য তদন্ত
  • ইরান যুদ্ধে নতুন কৌশল, ‘প্ল্যান বি’তে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫

বাবা-মাসহ ‘অ্যাসিড’ সন্ত্রাসের শিকার হলো ১৮ মাসের শিশু

বরিশাল প্রতিনিধি

প্রকাশিত:
২৭ জানুয়ারী ২০২৪, ১৭:০০

বরিশালে চাচাদের ছোড়া অ্যাসিড জাতীয় তরলে শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে গেছে ১৮ মাসের এক মেয়ে শিশুর। তার বাবা-মাও এই অ্যাসিড সন্ত্রাসের শিকার হয়েছেন।

ধারের টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে এ ঘটনার শিকার হয়েছেন, এমন দাবি করছেন ভুক্তভোগীরা। আর এ ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ভুক্তভোগীরা বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) রাতে সদর উপজেলার চর নেহালগঞ্জ এলাকার রশিদ হাওলাদারের বাড়িতে অ্যাসিড সন্ত্রাসের ঘটনাটি ঘটে। এসিডে মুখ ঝলসে যায় রিয়াজ হাওলাদার নামে এক দিনমজুরের। তিনি জানান, প্রতিবেশী ও সম্পর্কে চাচাতো ভাই ফিরোজ ও মিরাজদের সঙ্গে তার জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। কয়েকবছর আগে তার কাছ থেকে ফিরোজ ও মিরাজ এক লাখ টাকা ধার নিয়েছিলেন। ওই টাকা চাইতে গেলে বিভিন্ন সময় নানা টালবাহানা ও হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিলেন চাচাতো ভাইরা।

রিয়াজ, আমাদের ঘরেই ঘটনাটি ঘটে। স্ত্রী খাদিজা বেগম ও ১৮ মাসের সন্তান জান্নাতীসহ আমরা শুয়ে ছিলাম। রাত ৯টার পরে ঘরের জানালা দিয়ে আমাদের ওপর অ্যাসিড হামলা চালানো হয়। আমার চাচা খালেক হাওলাদারের ছেলে ফিরোজ-মিরাজ এবং নিজাম ও নাসির ঘটনার সময় আমার ঘরের সামনে ছিল। অ্যাসিডে খাদিজার শরীরের পেছনের অংশ জান্নাতী ও আমার মুখসহ শরীরের বেশ কয়েকটি স্থানে পুড়ে গেছে। স্থানীয়রা গণ্ডগোল টের পেয়ে এগিয়ে এসে আমাদের শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে।

খাদিজা বেগম দোষীদের শাস্তি দাবি করে বলেন, টাকা-পয়সা ও জমিজমা নিয়ে বিরোধ থাকলে আমাদের সাথে আছে। কিন্তু অবুঝ শিশু সন্তানটি কি দোষ করেছে? ওর গায়ে অ্যাসিড নিক্ষেপ করার কি দরকার ছিল। আমি এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

স্থানীয় একটি সূত্রে জানা গেছে, থানায় ঘটনাটি নিয়ে কোনো অভিযোগ দায়ের না হলেও পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অ্যাসিড নিক্ষেপের সত্যতা পেয়েছে। জড়িতদের আটকের অভিযান চালাচ্ছে। কিন্তু যারা ঘটনাটি ঘটিয়েছে তারা আত্মগোপনে চলে গেছে।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন মেট্রোপলিটনের বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান মুকুল।

শনিবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে এসব তথ্য জানিয়ে মুকুল বলেন, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছ। যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি এ ঘটনায় জড়িতদের আটক করতে অভিযান চলছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর