শনিবার, ১৪ই মার্চ ২০২৬, ২৯শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন
  • রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে উত্তাপ, মুখোমুখি সরকার–বিরোধী দল
  • ১৫ আগস্ট শোক দিবস বাতিল, বহাল থাকলো আগের সিদ্ধান্ত
  • নির্বাচন নিয়ে নতুন বিতর্ক, নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা
  • সংসদের সামনে এনসিপির অবস্থান, রাষ্ট্রপতির অভিশংসন দাবি
  • বাংলাদেশের ওপরও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য তদন্ত
  • ইরান যুদ্ধে নতুন কৌশল, ‘প্ল্যান বি’তে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫

রমজানে বিনামূল্যে খাদ্য বিতরণ করছি: প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত:
২৫ মার্চ ২০২৪, ১৬:৫১

বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকটের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পরিবহন খরচ বেড়ে গেছে, মূল্যস্ফীতি হয়েছে। এই অবস্থা শুধু আমাদের নয়, বিশ্বব্যাপী।

তারপরেও আমাদের দেশে মানুষের যাতে কষ্ট না হয়, এই রমজান মাসে আমরা মানুষের মাঝে বিনামূল্যে খাদ্য বিতরণ করছি। আমরা ইফতার পার্টি বাদ দিয়েছি, আমাদের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সবাইকে আহ্বান করেছি, ইফতার পার্টি না করে সাধারণ মানুষের মাঝে খাদ্য বিতরণ করেন, তাদের পাশে দাঁড়ান।
সোমবার (২৫ মার্চ) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৪ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি ২০২৪ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার বিজয়ী ১০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, পরিবহন খরচ বেড়ে গেছে, মূল্যস্ফীতি হয়েছে। এই অবস্থা শুধু আমাদের নয়, বিশ্বব্যাপী। তারপরেও আমাদের দেশে মানুষের যাতে কষ্ট না হয়, এই রমজান মাসে আমরা মানুষের মাঝে বিনামূল্যে খাদ্য বিতরণ করছি। আমরা ইফতার পার্টি বাদ দিয়েছি, আমাদের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সকলকে আহ্বান করেছি, ইফতার পার্টি না করে সাধারণ মানুষের মাঝে খাদ্য বিতরণ করেন, তাদের পাশে দাঁড়ান।

তিনি বলেন, খাওয়া তো বড় কথা না, মানুষকে দেওয়াটাই বড় কথা। খাওয়ার বিষয়টা বাদ দিয়ে দেওয়ার দিকে মনোযোগ দিয়েছি, মানুষের যেন কোনরকম কষ্ট না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রেখেছি। এভাবে আমরা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি, আমাদের লক্ষ্য এ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের সম্মানিত, যে মুক্তিযোদ্ধারা জাতির পিতার ডাকে সাড়া দিয়ে হাতে অস্ত্র তুলে নিয়ে আমাদের বিজয় এনে দিয়েছেন, তাদের সম্মান দেওয়া এবং এই গৌরবটা যাতে হারিয়ে না যায়, সে ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতার ব্যবস্থা করে দিয়েছি, অনেকে আর বেঁচে নেই, এখনো যারা বেঁচে আছেন তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা আমরা করে দিয়েছি। প্রত্যেকটা শহীদ পরিবার তাদের আমরা মাসিক ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা নিয়েছি, যারা গৃহহীন তাদের ঘর তৈরি করে দিচ্ছি। মৃত্যুর পর তারা যাতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা পায়, সেই ব্যবস্থাটা করে দিয়েছি। দল-মত নির্বিশেষে মুক্তিযোদ্ধারা সম্মানটা পাচ্ছে, সেখানে আমরা কোনো ব্যতিক্রম করছি না।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যসহ বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর