রবিবার, ১৫ই মার্চ ২০২৬, ১লা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • ঈদবাজারে ফুটপাতের দাপট, স্বল্প আয়ে স্বপ্নের কেনাকাটা
  • মালদ্বীপে নিহত ৫ বাংলাদেশির লাশ দ্রুত দেশে পাঠানো হবে
  • চীনে আন্তর্জাতিক এগ্রোকেমিক্যাল ও ক্রপ প্রটেকশন প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছে এনএসি
  • ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন
  • রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে উত্তাপ, মুখোমুখি সরকার–বিরোধী দল
  • ১৫ আগস্ট শোক দিবস বাতিল, বহাল থাকলো আগের সিদ্ধান্ত
  • নির্বাচন নিয়ে নতুন বিতর্ক, নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা
  • সংসদের সামনে এনসিপির অবস্থান, রাষ্ট্রপতির অভিশংসন দাবি

সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুরের ১১৪ পোশাক কারখানা বন্ধ

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১৭:১৬

বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে শ্রমিক বিক্ষোভের জেরে সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুরের ১১৪ পোশাক কারখানা বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে ৫৪টি কারখানা অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে মালিকপক্ষ। বাকিগুলো শ্রমিকেরা উপস্থিত হয়েও কাজ না করায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর একজন পরিচালক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বন্ধ থাকা ১১৪টি কারখানার মধ্যে ১১১টি সাভার, আশুলিয়া ও জিরানি এলাকার। বাকি তিনটি কারখানা গাজীপুরের।


ঢাকার সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আজ বুধবার সকালে নির্দিষ্ট সময়ে অধিকাংশ কারখানায় শ্রমিকেরা কাজে যোগ দিয়েছেন। তবে কারখানায় উপস্থিত হওয়ার পরও কাজ না করায় ৫৭টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া শ্রম আইনের ১৩ (১) ধারায় ৫৪টি কারখানা বন্ধ করা হয়। অর্থাৎ এসব কারখানার শ্রমিকেরা কাজ না করলে মজুরি পাবেন না।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিজিএমইএর নেতারা  মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) পর্ষদ সভা করে আজ কারখানা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেন। তবে নেতাদের একটি অংশ আশুলিয়ার মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে শ্রম আইনের নির্দিষ্ট ধারায় কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেন। সে অনুযায়ী আজকে কারখানা খোলা হয়নি।


বিজিএমইএর একজন সহসভাপতি জানান, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আজ বিকেলে আশুলিয়ায় মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন সংগঠনের নেতারা।

এ বিষয়ে শিল্পাঞ্চল পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারোয়ার আলম বলেন, যাঁরা পারছেন, তাঁরা কারখানা চালাচ্ছেন। আর যাঁরা পারছেন না, কারখানা ছুটি দিয়ে দিচ্ছেন। তবে শিল্পাঞ্চলের কোথাও থেকে কোনো সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর