সোমবার, ১৬ই মার্চ ২০২৬, ২রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • ঈদবাজারে ফুটপাতের দাপট, স্বল্প আয়ে স্বপ্নের কেনাকাটা
  • মালদ্বীপে নিহত ৫ বাংলাদেশির লাশ দ্রুত দেশে পাঠানো হবে
  • চীনে আন্তর্জাতিক এগ্রোকেমিক্যাল ও ক্রপ প্রটেকশন প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছে এনএসি
  • ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন
  • রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে উত্তাপ, মুখোমুখি সরকার–বিরোধী দল
  • ১৫ আগস্ট শোক দিবস বাতিল, বহাল থাকলো আগের সিদ্ধান্ত
  • নির্বাচন নিয়ে নতুন বিতর্ক, নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা
  • সংসদের সামনে এনসিপির অবস্থান, রাষ্ট্রপতির অভিশংসন দাবি

ময়মনসিংহ সদরে

এ্যাসিল্যান্ড না থাকায় ভোগান্তিতে লক্ষাধিক মানুষ

মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত:
২০ অক্টোবর ২০২৪, ১৫:৫৫

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) পদটি দীর্ঘদিন ধরে শুন্য থাকায় খারিজ, নামজারিসহ নানা কাজে ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরসহ সদরের লক্ষাধিক বাসিন্দারা। উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও ১টি সিটি কর্পোরেশন প্রায় ০৮ লাখ মানুষ ভূমি সংক্রান্ত সেবা থেকে এখন অনেকটাই বঞ্চিত।

নামজারি জমা খারিজের অভাবে অনেকেরই জমি বিক্রি প্রায় বন্ধ হয়ে আছে। ময়মনসিংহ সদর উপজেলার এসিল্যান্ড অফিস সহকারি মামুন জানান, কর্মকর্তা না থানায় খারিজ, নামজারি জমা খারিজের জন্য আবেদনের ফাইল স্তূপ হয়ে জমে গেছে।

এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ জনগণ।

সূত্র মতে জানা গেছে, ময়মনসিংহ সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) আসাদুজ্জামান রনি বদলি হয়েছেন চলতি বছরের অক্টোবর মাসের প্রথম দিকে।

ঐতিহাসিক ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় ভূমি অফিসে এসিল্যান্ডের পদটি ফাঁকা রয়েছে প্রায় অনেক দিন ধরে। সহকারি কমিশনার (এসিল্যান্ড) শুন্য থাকায় এসব অফিসের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করার কথা স্ব স্ব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। কিন্তু তিনি কোন দায়িত্ব পালন করেছেন না। দীর্ঘদিন থেকে এসিল্যান্ড না থাকায় অনেক ফাইল আটকে থাকাসহ ভূমি সংক্রান্ত বহু মামলার নিষ্পত্তি হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার স্বাক্ষর না পাওয়ায় আবেদনকারীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মফিদুল আলম বলেন, এসিল্যান্ডে পদটি পূরণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এটা আমার এখতিয়ারভূক্ত নয়। বিভাগীয় কমিশনার বদলি করে থাকেন। এছাড়া জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীও বিষয়টি জানেন। তিনি বলেন শুধু এসিল্যান্ড নয়, কানুনগো পদ শুন্য থাকায় সেবাগ্রহীতাদের কাঙ্খিত সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর