সোমবার, ১৬ই মার্চ ২০২৬, ২রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক
  • আইনশৃঙ্খলা জোরদারের দাবি পাটওয়ারীর
  • মস্কোতে নেওয়া হলো খামেনিকে
  • ট্রাম্পকে খোলা চ্যালেঞ্জ ইরানের
  • ঈদবাজারে ফুটপাতের দাপট, স্বল্প আয়ে স্বপ্নের কেনাকাটা
  • মালদ্বীপে নিহত ৫ বাংলাদেশির লাশ দ্রুত দেশে পাঠানো হবে
  • চীনে আন্তর্জাতিক এগ্রোকেমিক্যাল ও ক্রপ প্রটেকশন প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছে এনএসি

মেঝেতে পড়েছিল অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর মরদেহ, পাশে ঝুলছিল স্বামীর লাশ

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
৩০ নভেম্বর ২০২৪, ১৪:১৬

ময়মনসিংহের ভালুকায় একটি ঘরের মেঝে থেকে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর রক্তাক্ত এবং স্বামীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ নভেম্বর) রাতে উপজেলার কাচিনা ইউনিয়নের পালগাঁও গ্রাম থেকে এই দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত রত্না বেগম (৩০) ওই গ্রামের মুক্তার হোসেনের মেয়ে। তার স্বামী কামরুল ইসলাম (৩৫) একই উপজেলার বর্তা গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। তাদের পাঁচ বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সামছুল হুদা খান। নিহতদের স্বজনদের বরাত দিয়ে তিনি জানান, স্ত্রী রত্নার দ্বিতীয় সন্তান প্রসবের সময় কাছাকাছি হওয়ায় তাকে নিয়ে শুক্রবার দুপুরে কামরুল নিজ বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়ি পালগাঁও আসেন।

পরে রাতের খাবার শেষে তাদের প্রথম সন্তানকে নানির কাছে রেখে স্বামী-স্ত্রী পাশের ঘরে ঘুমাতে যান। কিন্তু রাত ১০টার দিকে ছেলেটি কান্না-কাটি শুরু করলে নানি মনোয়ারা বেগম ওই ঘরে গিয়ে ডাকাডাকি করেন।

কিন্তু কেউ দরজা না খোলায় সন্দেহ হয়। পরে ঘরের দরজা ভেঙে মেঝেতে রত্নার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পাশেই গলায় ওড়না প্যাঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল কামরুলের মরদেহ। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

ওসি বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে এমন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনার তদন্তে কাজ করছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর