মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ ২০২৬, ২রা চৈত্র ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ৫৪ জেলায় খাল খনন শুরু আজ
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • সংসদে সংবিধান নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক
  • আইনশৃঙ্খলা জোরদারের দাবি পাটওয়ারীর
  • মস্কোতে নেওয়া হলো খামেনিকে
  • ট্রাম্পকে খোলা চ্যালেঞ্জ ইরানের
  • ঈদবাজারে ফুটপাতের দাপট, স্বল্প আয়ে স্বপ্নের কেনাকাটা
  • মালদ্বীপে নিহত ৫ বাংলাদেশির লাশ দ্রুত দেশে পাঠানো হবে
  • চীনে আন্তর্জাতিক এগ্রোকেমিক্যাল ও ক্রপ প্রটেকশন প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছে এনএসি

ফুটবল মাঠে সংঘর্ষে শতাধিক সমর্থকের মৃত্যু

খেলা ডেস্ক

প্রকাশিত:
২ ডিসেম্বর ২০২৪, ১২:১৩

আবারও রক্ত ঝরল মাঠে। তবে রাজনীতির মাঠ নয়, ফুটবল মাঠে। একটি ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে শতাধিক সমর্থকের মৃত্যু হয়েছে।

ঘটনাটি আফ্রিকার দেশ গিনির এনজেরেকোরের।

রেফারির একটি সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে গণ্ডগোলের সূত্রপাত। পরে তা স্টেডিয়ামের বাইরেও ছড়িয়ে পড়ে। থানায় আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা। এ ঘটনায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী মামাদু ওরি বাহ সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন চিকিৎসক বার্তাসংস্থা এএফপিকে জানিয়েছে, সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা নির্দিষ্ট করে জানানো যাচ্ছে না। স্থানীয় হাসপাতালে বেশ কয়েকটি লাশের সারি ছিল। এবং মর্গটি পূর্ণ ছিল।

একজন প্রত্যক্ষদর্শী এএফপিকে বলেছেন, ‘রেফারির একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত।

মাঠে বেশ কয়েকজন সমর্থক ঢুকে পড়েন। তার পরে দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। তা ক্রমেই বড় হয়ে যায়। উত্তেজিত জনতা এনজেরেকোর থানায় আগুন ধরিয়ে দেয়।’

গিনির জুনটা নেতা মামাদি দৌমবৌয়াকে সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য এই ফুটবল ম্যাচ আয়োজন করা হয়েছিল।

২০২১ সালে এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে জোর করে গিনির ক্ষমতা দখল করেছিলেন মামাদি। নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেছিলেন তিনি। পরে আন্তর্জাতিক বিরোধিতায় ক্ষমতা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। আগামী বছর মামাদি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের লড়াইয়ে দাঁড়াবেন বলে জানিয়েছেন। এই রাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে হলো সংঘর্ষ।

এর আগে গিনির ইতিহাসের সবচেয়ে জঘন্যতম গণহত্যাও একটি স্টেডিয়ামে সংঘটিত হয়েছিল। ২০০৯ সালে রাজধানী কোনাক্রির এক স্টেডিয়ামে বিরোধীদের সমাবেশে সৈন্যরা গুলি চালালে ১৫৬ জন নিহত হয়। নিরাপত্তা বাহিনী টিয়ার শেল নিক্ষেপ এবং স্টেডিয়ামে চার্জ করায় অনেকেই গুলি, ছুরিকাঘাত, মারধর বা পদদলিত হয়ে পিষ্ট হয়েছিলেন। ধর্ষণের শিকারও হন বহু নারী। ওই ঘটনায় সাবেক সামরিক শাসক মুসা দাদিস কামারাকে সম্প্রতি গণহত্যার সঙ্গে জড়িত থাকায় মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর