শনিবার, ১৪ই মার্চ ২০২৬, ৩০শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
  • তিন ঘণ্টায় বগুড়া থেকে ঢাকা পৌঁছানোর ট্রেন চালু হবে
  • ঈদবাজারে ফুটপাতের দাপট, স্বল্প আয়ে স্বপ্নের কেনাকাটা
  • মালদ্বীপে নিহত ৫ বাংলাদেশির লাশ দ্রুত দেশে পাঠানো হবে
  • চীনে আন্তর্জাতিক এগ্রোকেমিক্যাল ও ক্রপ প্রটেকশন প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছে এনএসি
  • ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন
  • রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে উত্তাপ, মুখোমুখি সরকার–বিরোধী দল
  • ১৫ আগস্ট শোক দিবস বাতিল, বহাল থাকলো আগের সিদ্ধান্ত
  • নির্বাচন নিয়ে নতুন বিতর্ক, নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা
  • সংসদের সামনে এনসিপির অবস্থান, রাষ্ট্রপতির অভিশংসন দাবি

তেঁতুলের রস পানের ৫ উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২২ জুন ২০২৫, ১৫:০০

তেঁতুলের নাম শুনলেই জিভে পানি চলে আসে। এটি কেবল জিহ্বায় স্বাদই যোগ করে না, এর রয়েছে নানা ঔষধি গুণ। গরমের দিনে মিষ্টি-টক তেঁতুলের রস পান করলে অনেকে ধরনের উপকারিতা মেলে। যেমন-

হজম সহায়ক : তেঁতুলের রস হজমে সাহায্য করে। এতে থাকা টারটারিক অ্যাসিড, পটাশিয়াম এবং ফাইবার পরিপাকতন্ত্রকে সক্রিয় করতে সাহায্য করে। এই রস পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হয় এবং পেট হালকা করে তোলে। আপনি যদি বদহজম, গ্যাসের সমস্যায় ভুগে থাকেন, তাহলে তেঁতুলের রস খেতে পারেন।

ওজন কমাতে সাহায্য করে : তেঁতুলে থাকা হাইড্রোক্সিসাইট্রিক অ্যাসিড শরীরে চর্বি জমা রোধ করে এবং ক্ষুধা কমাতে সাহায্য করে। তেঁতুলের রস পান করলে চর্বি পোড়ানোর প্রক্রিয়া দ্রুত হয় । যারা ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন তারা খাদ্যতালিকায় এটি অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় : তেঁতুলে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম এবং ফাইবার থাকে, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত তেঁতুলের রস পান করলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। এটি রক্ত ​​পরিষ্কার করে এবং রক্ত ​​সঞ্চালন উন্নত করে।

বার্ধক্য ধীর করে: তেঁতুলের রস শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয়। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বককে মুক্ত র‍্যাডিক্যালের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে এবং বার্ধক্য প্রক্রিয়া ধীর করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় : তেঁতুলে থাকা ভিটামিন সি , বি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি ভাইরাল এবং ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়ক হতে পারে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর